আদম বুনিয়াদ শিক্ষা সৃষ্টির সংরক্ষণ, মহাকালের সময়ের পড়া শিক্ষা জাগায় সময় আগায়।
শীষ আলাহেস সাল্লাম এর খানদানে, পাত্র-পাত্রীর বি-কেন্দ্রিক শুদ্ধতায় বিজ্ঞান ময় জ্ঞানে, চৌদ্দ পুরুষের পরায়ণে, সৃষ্টি হয় নুহো আলাহেস সাল্লাম, সৃষ্টির রক্ষায় নবিয়ত, বেলায়েত ধর্মকে ধারোন করে, অধর্মকে ধ্বংস করে। মানব জাতির শিক্ষা ভাগ্যে জীব বৈচিত্রে প্রকৃতির পড়া পড়ে। আদমের দেশ ভ্রমনের শিক্ষা কাল তিনশো বছর, ত্রি গুনের গুণ ধরে, শ্রী মা হাওয়ার রূপ ধরে, বনে বনে খুজে বেড়ায় ত্রি ভুবনে।
ঘর সংষার দুনিয়াদারী পাঁচশো বছর, একশো বছর নাতি-পুতিদের শিক্ষা দেয়, আর একশো বছর ছায়াপথে ভাগ শিক্ষার বাক পরিবর্তন করে, আত্ম জ্ঞানের পরিক্রমায় রুহো রুহানির আলো শিক্ষা পায়, চরণ ভুমির মা প্রকৃতির পটে। নবী হতে আইন সত্য, আদম সন্তান মানবের কাছে তাই হয় বর্ত। নবীয়তি কাকে বলে, বেলায়েতের শিক্ষার উপাষনা মানব জাতি দেখতে পারেনা, বেলায়েত শিক্ষায় তাই নুহো আলায়েস সাল্লাম- নবীর নৌকায় প্রকৃতির জীব বৈচিত্র উঠাই, মহা প্লাবন হতে আল্লাহোর রহমতের প্রাপ্তি মেলে।
ইদ্রিস আলায়েস সাল্লামের লেখাপড়া, আল্লাহোর সৃষ্টি হতে সৃষ্টিতে মিশা। নূরের খেলা নূরের ভেলা, তাইতো ইব্রাহিম আলায়েস সাল্লাম নবীর নূরেতে মিল্লাহ। তিন জাতির জ্ঞান শুক্রাণু একই সুত্রের ইতিহাষের কথা। আদম শফিউল্লাহোর ঘরে খলিল কাবা প্রতিষ্টিতো করে। নূরের বসনে ঈশা হক ইয়াকুব নবী হতে, ইউসুফ আলায়েস সাল্লাম নবীর শিক্ষা বেলায়েতের ধারা। ইউসুফ নবীর বেলায়েত পড়াতে, মুসা আলায়েস সাল্লাম আসেন আল্লাহোর শক্তি নুর হয়ে, শক্তি গোপন নূর প্রকাশে, মুসা আলায়েস সাল্লামের হস্তে আদম শফিউল্লাহোর লাঠি, আদম ইন্দ্রিয় শক্তির চেতোনায়, মুসা আলায়েস সাল্লামের হাতে আলৌকিক জ্ঞান জাগ্রত লাঠি।
ঈশা আলায়েস সাল্লাম এসে বলে আমার মাতা মরিয়ম, পিতা আদি নূর রুহু গোপন আত্মা। নবী পয়গম্বর তার বস্তু শিক্ষা পড়ায়, আর মানব জাতির চেতোনা হুশ নূরের ফল খাওয়ায়, ভাবনার নুরের পরায়ণে জ্ঞান নুরের বাতি জালায়। ইসমাইল নবীর বংশ নূরে, মা আমেনার গর্ভে বিশ্ব মানব রচিতো, রজো শক্তির গুণের বলে, দ্বীনের রাসুল আসেন কান্ডারি হয়ে। আব্দুল মুত্তালিব হতে আবদুল্লায় মক্কা মদিনার কুলে, সিদরাতুল মূল হতে মা আমেনার কোলে, একিম গাছের ফুল হয়ে, আসেন হজরত মোহাম্মদ সাল্লেল লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম, বিশ্ব ময় শিক্ষা আলোর তরণী লয়ে।
শতো গুণের ধারা ধরে, তমো জ্ঞানের বাক পরিবর্তন করে, তরিকার শিক্ষার তরীতে বসে, খেলাফতের দিক্ষা শিক্ষায়, শরল বস্তু গরল বস্তুর বিক্রিয়ায়, শব্দ মনির পরশে জাহির করে, জাহের, বাতেন, আউয়াল-আখের, চার যুগের চেতোনা চিন্তার কান্ডারি হয়ে, পদার্থ বিজ্ঞানের গতিপথে, যোগ বিয়োগের হিসাবের ঘর হতে, বীজ হতে হয় অংকুর, অংকুর হতে হয় বৃক্ষ নবী, আত্মা হতে পরমাত্মার শব্দের কুল, নতুন হতে পুরাতনের নবো শব্দের উল। কেউ বলে নবিয়ত, কেউ বলে বেলায়েত, কেউ বলে খেলাফত, মানব জাতির চেতোনার পারাপারে বাধিলো গোল।
সময়ের রূপ নিহারে, করে নিরূপণ, কেউ করে আত্ম সমর্পন, কেউ বলে পড়োরে দায়েমি সালাত, আর তাই আকিমুল সালাতে হয় বর্ত। কেউ বলে জ্ঞান মারফত, কেউ বলে হাকিকত পালন করে, মানুষ ভজে, শরিয়ত পড়ে বুদ্ধি শান্ত করে, অচেনারে চিনে ধরো এখন। শব্দ চয়ন না বুঝে, মহা প্রকৃতির ব্যাকরণে সময়ের কাল ক্ষণে, দিল কোরানে করলেন জারি, সৃষ্টির মাঝে লুকায়ে আমি, মানব মানবির অঙ্কুর অংকুর পরায়নে, আছি আমি জ্ঞান মহা নূরের নয়নে।
কেউ বলে আনুগত্য কেউ আবার বলতে চায়, মানব জাতির মুক্ষ ইন্দ্রিয় রিপুর চেতোনে, আল-মিন বলে তাই, জ্ঞান বিজ্ঞানে জ্ঞান রাজা আসবে কবে, অমৃতোর শরোবরে, তিথির দেহো গগণে, চন্দ্র শিক্ষায় উদয় হলে, মহা শব্দ হতে শব্দ মিলে, জ্ঞান বিজ্ঞানের সুত্র ধরে মহা বস্তুতে মিশে আছে, ছায়া কায়া রূপে, নিদর্শন হতে দর্শন শিক্ষা পড়া।
মহা ভাবনাকারি মহানোভবতায়, মহা বিশ্বের মহা শৌরজগতের ওজন স্থর, এবং তার গুণ ক্ষমতায়, আকর্ষন বিকর্ষন মানব কেন্দের, তার ভাবনার বিভূতি বস্তুর গতি পথে সময়ের চিন্তার ফলন। চেতোনার ভাবনার পরায়নে, আলো বস্তুর নূরের জল, ভাবনাকারির উদভাবোনে, সত্তর হাজার পর্দার নূরের আড়ালে, নূর তাজিল্লার আলোয় জগত নূর প্রকাশ হলো।
যিনি মুরশিদ রাসুল আল্লাহ্ , সাবুদ কোরান কালাম উল্লাহ, বস্তু জ্ঞানে হয় ইবাদত উল্লাহ, কুদরতি নূরের বলয়ে জগতে মেশে ঈমান উল্লাহ, নবীর উম্মত আল্লাহোর বান্দা, হায়াতুল মুরসালিন রূপে চার যুগে রয় জিন্দা। শব্দ হতে শব্দের গতি শক্তির, মানব জাতি করে যদি নূরের পুজা, জগত গুরু তাকে দিবে চরণ সুধা, পান করিলে যাবে মনের দিলের ধোকা। অষ্ট পাঠ শিক্ষা মার, সপ্তধারা বাস্তব পাঠে, বাংলার জ্ঞান বিজ্ঞানে, একশো পাচটা মৌলিক বস্তুর কারোনে বিশ্ব মানুষের মনপড়া।
মতান্তর ভুলে সময়ের মা প্রকৃতির কোলে, যুগ যুগান্তরে পরিবর্তন হয়ে, নবো চেতোনার শিক্ষার কুলে। বিসমিল্লাহোর মুলে ফুলে ফলে, শীষ আলায়েস সাল্লামের শিক্ষা ভাগ্য ইতিহাশের পাতায় পাতায় রয়েছে লেখা। শিক্ষা আলোর জীবন কথা। সময়ের বিবর্তনে ঘোর কলিতে ঘুরি, আদি অন্ত না বুঝে, বর্তমানের কাছে কিছু শিখে, অতীত হতে দেখে, মানব জাতির বিশ্ব শিক্ষার জ্ঞান অংকুর হতে, জ্ঞান তরিতে বসে, আদম বুনিয়াদের শিক্ষায়, ভবিষ্যৎ রক্ষায় কিঞ্চিৎ জ্ঞানের পড়া পড়ি। তৈরি কারোকে মহা কাব্যের জীবন তরী।

