Message here

কুদরতি নেসা আমি তোমাদের আদি মাতা, পঞ্চ ভুতের শিক্ষা শব্দের আঁধার। আমার উদরে তোমরা সবাই আমার সন্তান সন্তনি, কান খুলে শুনো, মা হাওয়া সুরার কুদরতি নেসা। তোমাদের পিতা আদম শফিউল্লাহ, আল্লাহো তালার সৃষ্টির লীলায় তার বাশোনা পূরণে, নূরের জলে ফল ফুলে বীজের সংকলন। এগারো কার হতে, সৃষ্টি চক্রের রহমতে পরমাত্মা আল্লাহ্ বস্তু রক্ষা শিক্ষা। তোমাদের আদি পিতা আর আমি মা কুদরতি নেসা, আমা হতে যে শিক্ষা তোমাদের প্রদান করেছি, শতো, রজো, তমো, গুণে তোমাদেরকে ডিম্বানুষয়ে ধারোন করে, আমার বুকে লালন পালোন করি। এই টাই আমার আদর্শ ভাষা তরীর মা প্রকৃতির শিক্ষা।

দেশ তথ্যের শিক্ষা শিখে, তোমরা সবাই নিজেকে বিশ্ব ভেবে, নিজের কাছে শব্দ পরায়ণের কক্ষ পথে, সেই পথের কক্ষ পথ আমি। জ্ঞান বাক্য গঠনে, সাধোক শিদ্ধি স্থুল প্রবত্তের মিশ্রণে, গুণ বাচক তথ্যের মূল্যায়ন। আর বাদ বাকি ছায়া পথে ভাগ শিক্ষায় প্রত্যেক টা মুখের কথা পরিবর্তন করবা। কেনোনা তোমরা যদি পরিবর্তন না হও, আমি পরিবর্তন করিনা,  তোমার আত্ম জ্ঞানের বলয়ে, নিজেকে বাচিয়ে মানব সম্পদ শু রক্ষা শিক্ষা মাথায় রাখবা। কেনোনা তোমাদের পিতা আদম, খাওয়ানো পড়ানো শিক্ষা দেওয়ার জন্য আল্লাহোর কর্ম কাজ করে।

আমি তোমাদের মা মাটি হাওয়া তোমাদেরকে আদর্শ শিক্ষা দিয়ে সংরক্ষণ রাখি। আল্লাহো পাক তার সৃষ্টি চক্রকে বোঝানোর জন্য ঘাত প্রতিঘাতে আমাদের কে সময়ের শুরক্ষা শিক্ষা দেই ও পরিক্ষা নিরিক্ষা করে। এটা তোমরা মানব জাতি বিস্বাস করবা। তোমাদের জ্ঞান পুরুষের জ্ঞান, মহা মা বিজ্ঞানের অনুকরণে, প্রকৃতি শিক্ষার পক্ষে থাকবা।

আল্লাহোর দর্শন হতের তার নামের গুনে, গুণ ক্ষমতা প্রকাশ করে,  মায়ের বাক্যো শিরোধার্য রূপের স্বরূপ আকারে। তোমাদের পিতা আর আমি মাতা, সেই নামের ক্ষমতায় মানব মানবির শিক্ষা কুল। লা ইলাহা ইল্লাল লাহু, মোহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ, অর্থ:-  আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই। 

আল্লাহোর রাসুলের পাকজাত নুরের হিল্লাই, মহাকালে মিশে আছে আত্মা চক্রের, সময় জগতের উল্লাহ্। নাম তার লা শারিক আল্লাহ্, সবার শরিক সে একেলা। আশা যাওয়া পারের কান্ডারি, চেতোনা শিক্ষা হতে চেতোনার পারি। জন্ম জন্মান্তরে, যুগ যুগান্তরে মিশে মা প্রকৃতির কুলে, নিজেকে না চিনে ভবের হাটে ঘুরে ফিরি, চরন শুধায় সাধন ক্রিয়ায়, সপ্ত তালায় বসে শব্দ শ্রবণ করি। জ্ঞান বীজের পরায়ণে আভিজাত্যের শিক্ষা কে ধ্বংস করে, নতুন কক্ষ পথ সৃজনে, বিশ্ব মা শিক্ষার বাংলার সাধে, বস্তু রূপে শিক্ষা কে গ্রহণ করি। আল-মিনের মা বিজ্ঞান শব্দ শিক্ষা তরী, আদি হতে বিবর্তনের আধুনিক শভ্য মানব জাতির শিক্ষা।

শব্দ চয়নে শৌরজগতে মহা ব্যাকারনে, বিগ ব্যাংক ব্লাক হোল বস্তু শিক্ষাকে সামনে রেখে, শব্দের গতিপথ দেখে শুনে করবা ব্যাখ্যা। সময় হতে সময়ের অন্বেষণে, আদি চরন, শরল চরন, গরল চরন, রূহানী চরন ও শুন্য হতে শুন্যের পরায়নে, আদি মাতা পিতার আকর্ষন কেদ্রের আনন্দো যোগের লেখা পড়া। নিরানন্দো, আনন্দো, নিত্য আনন্দো, পরমানন্দো, মহা আনন্দো। কোন আনন্দো কে শিক্ষা রূপে শিখবা, প্রকৃতির শিক্ষা শিখে জ্ঞান বিবেক বুদ্ধির কুলে, দিব্যো নয়নে দেখে, সুক্ষ জ্ঞানের ভাষা শিক্ষায় ওজন স্থরের শুন্যতে বসে, অধর্মকে না পরায়ন করে, মনের আয়নাতে নিজের স্বরূপ দেখে, স্বরূপের রূপের শিক্ষা।

সপ্তধারা অষ্ট শিক্ষা পাঠ বাস্তব চেতনার পারাপারে। এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী হতে হয় পয়গম্বর, সময়ের মতান্তরে বলে তাই, অতীত হতে দেখে বর্তমানের কাছে, মানবতা শিক্ষা শিখি। মানব জমীনে আসে  শিক্ষা ভাগ্যের  চরণ ভূমির শিক্ষাতে, প্রকৃতি হতে প্রকৃতি পড়া। সময় প্রকৃতির শিক্ষা শিখে, নিজেকে প্রকৃতি সাজা।  দেশ প্রেম মাতৃ শিক্ষা, মহা প্রকৃতি শিক্ষা শিখে, দেশ  আকানোর শিক্ষার শরল পাত্রের রেখা।

জ্ঞান বিজ্ঞানের শুন্য হতে, শুন্যের পরায়নে, মা নুরে সুরা তনে আদি কাবা, যে নুরে হয় আদম পয়দা, সেই নুরের তরিক যুদা, নুরের পেয়ালা খোদা, দিলেন খোদ অঙ্গ জেনে।   যেটা দেখার কথা সেটা দেখবা, শিখবা না- শিখবা যেটা, না দেখে বিশ্বাসী হয়ে সেটা শিখবা। যেটা শোনার কথা সেটা শুনবা, কিন্তু মানবানা আর যেটা মানার কথা সেটা মেনে নিবা।  মহা শৌরজগতের শব্দ হতে, আক্ষরিক রুপের চয়নে বস্তু পড়ে,  প্রেম শিক্ষা ধর্মে বন্ধন রাখবা। জ্ঞানি গুনির পরায়নে,  রাসুল  নামের ফুলে আত্মার আলিঙ্গন, জীব জীবান্তরে মানুষ হতে,  ভবিষ্যতের ভজনা বস্তুর সময়ের তৈরি,  জ্ঞান অজ্ঞানের  শব্দ আলোর লেখা পড়া, জ্ঞান শাস্ত্র হতে তৈরি করা।  

শেয়ার করুনঃ-