Message here

 ভাবনার প্রক্রিয়া পরায়ন শিক্ষা, আমার আমি তোমার ভিতোরে আমি ভাবনার দর্শন। মানুষের ভাবনা দুই প্রকারের যেমন, মানুষ আর মানব। মানবের মাছে থাকে মানবতা বোধ, মানুষের কাছে থাকে পশুত্ব বোধ। যদি আমরা ভাবি, আমরা মানুষ তাহলে আমাদের চিন্তা ভাবনা নিন্মগামি অচেতন চর্চা বিহীন। যদি আমরা মানব হই, প্রকৃতির শিক্ষা নিয়ে চিন্তার গতিকে উর্থগামি করে মানব হবো।

চিন্তার বিক্রিয়ায় ভাবনার নিদর্শন শিক্ষা হতে, দর্শন শিক্ষায়, বিশ্ব মানুষের চেতনা ভাবনার দেহো ভুবনে, জ্ঞান শব্দের পরায়ণে, সব মানুষের অন্তর গগণে, চেতনা সঙ্গে চেতোনার কথা, ভাবনার সঙ্গে ভাবনার দেখা। আমি ভাবি, অজ্ঞানতা্র লক্ষ বস্তুতে, অন্ধকার শিক্ষার জ্ঞান সৃজন হয়, ভুল কর্মে ভুল পাত্রে কু শিক্ষা শেখে। আমি আবার তাও ভাবি, আদর্শ বাদ শিক্ষা নিয়ে, অন্ধকার শিক্ষা বিকল করি।

যুগ যুগান্তরের শিক্ষা হতে, রূপ রুপান্তিত শব্দের গন্ধ রশ হুশ জ্ঞানের চেতোনার ফল, বর্তমান সু শিক্ষার কাছে এসে আলোকিতো আলোর তরিতে শিক্ষা আলো খাই। আমরা আবার এটাও ভাবি, মানুষ যে কথা বলে, কথার ভিতোর আলো থাকে, আঁধার থাকে, অন্ধকার শব্দ গুনা মানুষের অকল্যাণ করে, মহা প্রকৃতির শিক্ষার ঘোর বিরোধিতা করে, মানোব সম্পদের মুল্যবোধ কে নষ্ট করে, ভুল তথ্য প্রয়োগ করে। জ্ঞান বিবেক বুদ্ধির সমনয়ে দিব্য নয়ন খুলে দেখো, আমাদের কথা আলোর কথা, অন্যজনে কথা অন্ধকারের কথা, তাইতো আমরা বিশ্বের মানুষের মন পড়ি।

জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রগতি ও নিন্মগতির ভেদ পাত্রের লক্ষ বস্তুর শিক্ষা ভুলে, অভাবনাশীল হয়ে পড়ে মানুষ জাতি অন্ধকার শিক্ষার ছাত্র ছাত্রী। তাইতো মানুষের ভাবনা মৃতোশিল, মানোবের ভাবনা কি? মানোবের ভাবনা চিন্তা সৃজনশীল, অমরত্ব সময় ক্ষন কালে, সময়ের শিক্ষা হয়ে, মানুষ প্রকৃতির হৃদয়ে কথা কয়।

আমি ভাবি, শিক্ষা মানে আলো খেয়ে শিক্ষিতো হওয়া, নিজেকে বিশ্ব ভেবে নিজের কাছে বিশ্ব পড়া। আমি ভাবি, সময়কে ঈশ্বর ভেবে শিক্ষা নেওয়া, সময়ের কাজ সময়ে করা, দেখে কথা বলা শব্দ বিজ্ঞান পড়ে, শু শিক্ষার প্রকৃতির ছাত্র হওয়া। আমি ভাবি, বিশ্ব মানুষের মানোবতার দোয়ারে, দেহো গহ্বরে চেতোনা ভাবনার গতি মহা কালের ইতিহাসের সৃতি। যোগ বীজ রুপে, বিয়োগ ও ভাগের বাক পরিবর্তন করে, বীজ গুন হতে, শিক্ষা মার পরিকল্পনায়, নিকাশ বাজার ও অর্থ সমৃদ্ধি সঠিক তথ্য বাজার শিক্ষা।

মানুষ ভাবে প্রকৃতিকে ফাকি দিয়ে, দিনরাত মিথ্যার ছলনায় মজে, বড়ো কিছুর পাওয়ার আশা করে ছোটো কিছু পেয়ে বস্তু শিক্ষা ভোলে, নিকৃষ্টো কর্ম করে অন্ধকার দুর্গে বাস করে। চেতোনা গতির শিক্ষা আলোর ফল ফলাইয়ে, নিজের বৃক্ষকে সময়ের শিক্ষার যোগে, মাটিকে উর্বরতা করে খাটি করে, শিক্ষা গাছ রোপণ করা। জল ঢেলে মুলের অন্বেষণ করে, ফুল থেকে ফল পাকায়ে শিক্ষা আলো নিজে খেয়ে অন্যকে খাওয়ানো।

মহা জগতের শিক্ষার শিক্ষার্থি, শব্দ বিজ্ঞান প্রকৃতির শব্দ পড়ে করি তাই চুক্তি। নিরবতার পড়াতে জীব বৈচিত্রের ভাষা বোঝাতে, শব্দের গতীতে চেতোনার জ্ঞানে, বিভূতির আলোর বুদ্ধির পড়া। আকৃতি নির্জাশের দেহো তনে বিবেকের আড়া, সাকার আকার কে বোঝানোর কারনে, তোমার স্বরূপের মনো হরা। তোমার ঈশ্বরের পরিধী কে বোঝাতে, জ্ঞান নয়ন তোমাকে পড়ায়, বস্তুর মহা শক্তি তোমাকে জাগায়। সময় বীজের পাত্রে, বিগ ব্যাঙ্ক সৃষ্টির শব্দের কালে, মা প্রকৃতির আত্মা চক্রের শিক্ষার নভোমন্ডোলে, কক্ষ পথের আলো বস্তুর ভাষা বুঝে, কান খোলো।

মধ্য আকর্ষনের শরল বর্ন যুক্তো বর্ন ও স্বর বর্নের, আকার ঐকারে শৌরো বর্ন মালা পাঠ। ওজন স্থর বস্তুর পরিধি পরিমাপে, অদৃশ্যো বস্তুর অনুচক্রে, তোমার হৃদয়ে শৌরো মেঘের পরায়নে, আলোক বীজের দেহো গগনে চন্দ্র শীখোড়ে, মূলের অন্বেষণে চেতোনার চন্দ্র সংখ্যা শিক্ষাতে, ভাবনার পরায়নে, মহা আকর্ষনের পড়া। মহান আল্লাহতালা নিদর্শনের প্রতিক। ফেরেসতা নূর হচ্ছে ভাবনা চিন্তার গতি। আদি নূর আদম তনের আত্মার, ভাগ্যো পড়ার মুক্তি চুক্তি। কুদরতি নেসার অনন্তো নুরের বলয়ে, প্রকৃতির চেতোন জ্ঞান নূরের শিক্ষা। নবীর আইন পালোন করাতে, সৃষ্টি তত্তের লেখাতে, আহাদ আহম্মদের পঞ্চো নূরের বলয়ে, নূর ধারোন রক্ষা শিক্ষা।

রাসুল মানবের শরল প্রকৃতির শিক্ষা পাত্রে, মানুষ জাতির শিক্ষাতে, মহা প্রকৃতির সময়ে গতীর দর্শন পাঠ। আল-মিন ভাবে, মহা কালের বস্তুর শিক্ষা পড়াতে, সময়ের শিক্ষা রচনা করাতে, ইতিহাশের পাতায় বর্তমানে পাঠ করাতে, মানবের সৃতিতে আছে তা লেখা। বস্তু আবিশকারের শীর্শে, মানুষের সত্যো মিথ্যার পরিচয়ে, মহা শৌরো জগতের পরায়নে, সময় বীজের আকর্ষনের কারনে, বিজ্ঞো বস্তুর ছায়াতলে বসে, অবাক তথ্য প্রযুক্তির পড়াশুনা। বস্তু শিক্ষা প্রযুক্তির তথ্য পড়াতে, ইতিহাশ হতে তথ্যের আবিশকারে, নতুন তথ্য সৃষ্টি হবেনা কোনো কালে।

চেতোনাকে পড়ে নিজেকে বস্তু ভেবে, জাগ্রত হয় বিশ্ব বস্তু ভজন শিক্ষা। জ্ঞান বিবেক বুদ্ধির মহা শৌরো পথে, দুরের বস্তুকে লক্ষভেদ করে, কোটি কোটি তারার আলোর বিকিরনে, চেয়ে থাকে তোমার আপন কক্ষ পথে। তাইতো বিশ্বের সব মানুষের মনপড়াতে, চেতোনা শক্তির কল বলে। সেই শক্তির কলে মহা বিজ্ঞানের জ্ঞানের ছলে, তুমি কি আবিশকার করবে তলে, ভূ প্রকৃতির শিক্ষা নিয়ে, মহা প্রকৃতির অনুকালে। বহু আবিশকার করে রেখেছি, পদার্থের বস্তু কালে, শুন্যো কারে সময়ের ভরে।

দিন-রাত সপ্তধারা অষ্ট পাঠে, একশো পাচটা মৌলিক বস্তু পড়াতে, বাস্তব ধারায় বেধে, চিন্তা চেতোনার পরায়নে ভাবনার পাশ। তুমি আমি মিলে মিশে, শুন্যো হতে শুন্যে ভেষে, মহা শুন্যে আমরা সবায় যাবো শব্দতে ভেষে। শিক্ষা পড়ার মহা জ্ঞানের কক্ষ পথে, পরমাত্মার আত্মায় থাকবো মিশে। বিশ্ব মানুষের মনে, চন্দ্র শুর্যের পরায়নে, শরলবর্নের পড়াতে, যুক্তো বর্নের আলো বাতাসে থাকবো নিঃশ্বাসে। থাকবো সবার চেতোনার হৃদয়ে, অমৃতো যোগের যোগ ধ্যানে, বীজ গুনে রোপন হয়ে, থাকবো প্রভাতের ভাগ শিক্ষায় মিশে, বিয়োগের ঘরে সাধনার পারা পারে।

শেয়ার করুনঃ-