আমি তোমাদের আদি পিতা, তোমরা আমার আত্মার আত্মা, জ্ঞান শুক্রানুর তথ্য শিক্ষার অভিবাভক। আল্লাহ্ পাকের মহা কাব্যের গোপন ঘরের লহুত কালাম ও সুরা। নিদর্শন হতে দর্শন শিক্ষার বস্তুর প্রকাশে, বস্তু হতে বস্তুর লেখাপড়া। বিভিন্ন ভাষা ভাষির জাতির বিবর্তনে, সময় প্রকৃতির ভাষায় সময়ের শিক্ষা তরী। প্রকৃতির জীব বৈচিত্রের ধরণীর পাড়ে, প্রকৃতির শিক্ষা কে শিখে শিক্ষিতো জাতি হও।
তোমাদের আদি মাতা হতে, যে শিক্ষাকে শিখে আদর্শকে ধারন করেছো হৃদয়ে, দেশ প্রেম মাতৃ শিক্ষায় শিখবা শব্দের উল। আমার হতে পেয়েছো, মানব জাতির শিক্ষা কুল, এই দুই কুল মিলায়ে, মানব মানবীর আলো শিক্ষার তরণি। তোমাদের ইন্দ্রিয় শক্তি জাগ্রত করে, লোভ লালোশা ভুলে, ছয় রিপুর কুমন্ত্রণা হতে, তোমাদের দেহো তনে, মতবাদ শিক্ষাকে না শিখে, তোমরা শিখবা জ্ঞান পুরুষের আদর্শ নীতি শিক্ষা শিখে জ্ঞানি হবা।
তোমরা নিজেদের পরিবর্তন করে, তোমাদের ভাবনা চিন্তার শব্দের মাঝে, বস্তু শিক্ষা কে মাথায় রাখো। আল্লাহো পাক তোমাদের সত্য মিথ্যার জ্ঞানের পরিচয়ে, প্রতিপক্ষ সৃষ্টি করেছেন, সে ও তার ভাবনা চিন্তার সে নিজেই দাবিদার, তোমাদের মনে ও দেহো তনে, সে সকল সময় বিরাজমান। জ্ঞানের জ্ঞান রাজা আমাকে আদেষ নির্দেষ করে, আমি আদেষ নির্দেষ ভুলে গন্ধম ফল খেয়ে, এই দুনিয়াতে আশি। তোমাদের দেহো তনের জ্ঞান রাজ্যে, জ্ঞান রাজাকে না প্রতিষ্টিতো করে, অন্ধকার, অজ্ঞানতা, অভাবোনাশীল আর ধৈর্যহারা হয়ে স্থিরতা ভুলে, কু শিক্ষা ও তমো আঁধারে অন্ধকারের পথে চলি। অন্ধকার জ্ঞান ধারণা ও মনের মতবাদে, নাথেকে উর্ধগামী চেতোনার অগ্রগতি, শু শিক্ষার হাতে কলমের শিক্ষায় নিজেকে নিজের পরিচয় করবা।
চিন্তা আর কর্মের ও আত্মার মুক্তির আশায়, বিভিন্ন সময় আমা হতে, মানব জাতিতে নবী, পয়গম্বর, রাসুল এবং জ্ঞান প্রকৃতির মহা বিজ্ঞানের ভাষায়, রাসুল মানব প্রেরণ করতে থাকে। আল্লাহোপাক আমাকে রুহের রূহানী শিক্ষা দেয়। জীব বৈচিত্রের অঙ্কুর অঙ্কুর পরায়ণে, মৌলিক বস্তুর সংখ্যা শিক্ষা মা শব্দ বাংলায়, মহা বিজ্ঞানের সৃষ্টির লীলাখেলা। আত্ম বিজ্ঞানের ভাষায়, আমা হতে হাড় রগ, মনি মজক, তোমাদের মা হাওয়া হতে, রক্ত, প্রস্থ, মাংশ,লোম ও অনন্তো কুঠুরির দ্বারায়, মহা বিজ্ঞানের লেখা পড়া। প্রকৃতির ব্যাকারনে মহা শৌরজগতের বস্তুর সংখ্যা পড়ে, বস্তুর কথা শুনে, অষ্ট ধাতুর পরায়নে বাংলার জ্ঞান বিজ্ঞানে,- আল-মিন মহা শব্দ হতে শব্দে বাজা।
সময় তরণীর কাল ক্ষণে, পিতা মাতার জ্ঞান পরিক্রমায়, মানব জাতির শর্ব শ্রেষ্ট কথা। শিক্ষায় মানবতা- মানবতায় প্রকৃতির শিক্ষায় বিশ্ব আইন নিতির আইন শিক্ষা। মানব জাতির অভিবাভকের জ্ঞান অন্তরে, সত্য মিথ্যার পরিচয়ে, অষ্ট শিক্ষা পাঠ, সপ্তধারা বাস্তব পাঠে লেখা। শিক্ষা মা সংকল্পের ধাঁধা শিক্ষা শিখে, কৃত্রিম শিক্ষার বাজারে, ক্রিয়া শক্তি আর বিক্রিয়া শক্তির, যোগ বিয়োগের ঘরে শোধন পরায়ন, নিদর্শন, ছায়া কায়ার আকার শাকারে মিশে দর্শনময় শিক্ষা পড়া। লোহো মানবের শিক্ষা বর্জন করে, পরশমণি মনি শিক্ষা গ্রহন করি।
বিশ্ব শিক্ষা প্রচার নিতিতে এসে, শিক্ষা আলো শিক্ষার কান্ডারি হয়ে বিশ্ব সমন্বয় নি, তির জ্ঞান উদরে, বিশ্ব শিক্ষা পরিবারে, মম হৃদয়ে আলো বস্তু খেয়ে, লেখা পড়া, শিক্ষা, ফলাফল, পাশ করে পেটে রেখে, মুখ দিয়ে কথা বলা। শিক্ষার রূপের হাটে, শব্দ জ্ঞান বীজ প্রয়োগের ক্ষেত্রে, প্রকৃতির শিক্ষার কানে কানে, শু শিক্ষার হাতে কলমে, তোমার অন্তর গগণে শুধারা মেঘের প্রাণে। বায়ু, অগ্নি, মৃত্তিকা শরোবরে, সৃষ্টির খেলায় তরল বস্তুর রশায়নে, ঝলক বস্তু শিক্ষা। দেখবা শুনবা শব্দ রূপ রুপান্তিত বুঝবা, বিশ্বাসী বস্তুর কাছে গভীরে ডুবে, বিশ্বাসী হয়ে আনুগত্য করবা।
আহাদ আহম্মদের বলয়ের, সৃষ্টির নাম আলো, মুকাম মঞ্জিলের সপ্ত তালা খোলো, শুন্য তালায় বসে চাবিয়ালারে খুজে, কানের তালা খোলো। স্বাদ-বেসাদের বাজারে, আমি আদম, মৌলিক বস্তুর শিক্ষা তথ্য তনে, আত্মায়- পরমাত্মা রাসুল শান্তি বস্তু শিক্ষা শিখায়।

