Message here

শব্দের জ্ঞান বিজ্ঞানে গতানুগতিক জ্ঞান অজ্ঞানে, জ্ঞান শিশুর সমন্বয়ে পড়া লেখা। বাঙ্গালির বাঙ্গালিত্ত বোঝাতে, ভাষা মায়ের বিশ্ব বাংলা শিক্ষার স্বাদে, ভাষার বাংলা শিক্ষা লেখা হয়। পুরাতনের শব্দের আঁধার না পড়ে, বিশ্ব বিভাজন শিক্ষা সৃজন করে, ঘোর অন্ধকারে মানব জাতি ডুবে মরে। বাংলার বস্তু লয়ে বিশ্ব বস্তু ভজন নিতি শিখতে, ইশারা ইঙ্গিতে বোঝাতে থাকি।

বস্তুর নাই পস্তু, পস্তুতে নাই বস্তু শিক্ষা, ভাষা ইতিহাশের শব্দ ও নীষ শব্দের উদঘাটনে চর্চায়, নিদর্শন হতে, আক্ষরিক আর অক্ষরিক ব্যাকারনে, বস্তু না ভজন করে, শব্দ রূপ না বুঝে, সব হয়েছে অকারণ। ব্যাকারনের বস্তু শিক্ষার চরণ সুধায়, ক্ষুধা তৃষ্ণা মিটায়ে শিক্ষা পড়ায় শিক্ষা জাগায়, তাইতো বস্তু শিক্ষা ব্যাকারন বইয়েতে লেখা। লেখা হয় তার ব্যাখ্যা, ব,  শব্দের কাছে বসে, রূপ রশ স্পর্শের গন্ধে, ক শব্দের কাছে তাই বলতে থাকি।

নিজেকে পড়ে পরায়নে পরায়নে পড়াকু হয়ে, মৌলিক বস্তুর জ্ঞান আহরণ করতে থাকি। নবো জাগোরনে দন্তের স তে, সাধন করে, সংরক্ষন পদ্ধতি শিক্ষা মাথায় রাখি। ত শব্দের আলোর তরিতে উঠে, সাধোনার ভাষায় স্বাক্ষর করে পারি ধরি। ম তে, মনে প্রাণে মুখে ঐক্যো শরে, অ তে, অজ্ঞানের তমো গুণের শিক্ষা, জগতের মানুষ করে নাই তার ব্যাখ্যা। রজো শক্তির আলো শিক্ষা, শতো গুণের কাছে করেছে তার ব্যাখ্যা। মানুষের হুশ জ্ঞান চেতোনার বুদ্ধি বিবেকের কানোনে, জ্ঞান সময় প্রকৃতি আমাদের শিক্ষা দেয়। মহা মানব এসে বলে তাই, মানুষ জাতির কাছে সময় ঈশ্বর, সময় কে যদি আমরা মুল্যো দিই, সময় আমাদের শিক্ষা শিখায়।

বাংলা ভাষার রাষ্টিয়ো শাসন ব্যাবস্থা, বিভিন্নো জাতি গোত্রের ভাষা মিশে, বাংলা ভাষার শিক্ষা্র ব্যাবহার না শিখে, হয়েছি শাসন শোষন  নিপীড়ন। প্রক্রিয়ার ক্রিয়া ধরে,  শোধোন শাধন পদ্ধতি করেন,  ঋষি মনি ঋষিরা,  মহা জ্ঞানি গুণী বলে তাই। অবাক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা কে শিখাতে মা প্রকৃতি জগতে আসে তাই আঁকাতে। শব্দের ছায়াপথে আকর্ষন বিকোর্ষনে, মহা শৌরো জগত হতে, মানুষকে সৃজন করে। পৃথিবীতে জ্ঞান মহা বিজ্ঞানে,  সৃষ্টির জ্ঞান শিক্ষা দিয়ে মর্ধো আকর্ষন হতে কানে শব্দ পড়ায়। দেশ ভৌগোলিকের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক প্রভাব ও বিশ্বের শব্দের বানী থেকে বানানো হয় বিশ্বের শব্দের আইন। বাংলা ভাষা বাঙ্গালীর স্থায়িত্ব মানব সম্পদ, শব্দ গঠনে বাংলা ভাষার মধ্যে বস্তুর সংমিশ্রণে, দেশ প্রেম মার্তৃ শিক্ষায় ভাষার প্রয়োজন হয়।

রাজা যদি প্রজার ভাষা আর মনের ভাব না বোঝে, মনের ভাব বোঝার জন্য শিক্ষালয় সৃজন করে। সময় প্রকৃতির শব্দ হতে, শব্দের জীব বৈচিত্রের শব্দ হতে শব্দ পড়া। সময়ের শিক্ষায় বিজ্ঞানের মহাকালে, মৌলিক বস্তু হতে, পদার্থের ক্রিয়া প্রক্রিয়ায় চেতোনার চরণে, দেহো ভুবোনে ঘুরতে থাকি। রাষ্টো নিতির শব্দ বাংলায়, পড়া ও প্রশ্নো উচ্চারণে উত্তর জানা। শব্দের ধাঁধায় মানব জাতি থাকে বাধা। সারা জগতের শব্দ হতে শব্দ লিখে, মুখ হতে বলে, শব্দ চক্র পাশ করা। আল-মিন ভাবে বাংলার বস্তু লয়ে, শব্দ বস্তুর সৃষ্টি কালে, সময়ের বিবর্তনে শুন্য হতে সংখ্যাতে মিশে মানব তথ্য পড়া। 

বিভিন্ন ভাষা ভাষির মিশ্রণে শব্দের ব্যাকরণে শরো বর্ন ও বর্নোমালা বাংলা পড়া।রাষ্টো নিতি শিক্ষায় বিচার বিভাগ কে, শব্দের সত্যো মিথ্যা কে বোঝানোর ক্ষেত্রে, বাংলা বর্নো ভেদে ভাষা শিক্ষা। ঋষি চক্রের সাধু ভাষা, সাংস্কৃতো ভাষা, ইউরোপীয় পারশ্যের ভাষা যুক্ত হয়ে, বাংলা জ্ঞান লয়ে বিশ্ব বস্তু শব্দের দিক দর্শন দেখায়। ভাষা হতে হয় ভাষার পরায়ন,  আদি কৃষির মানব চাষ আবাদে,  তৈরি হয় আঞ্চলিক ভাষা, ফার্শি ভাষা, উর্দু ভাষা, হিন্দি ভাষা, ইংরেজি ভাষা, আরবি ভাষা, আর বিভিন্নো প্রকারের ভাষা আঞ্চলিক ভাষায় মিশে, তৈরি হয় দর্শন ময় জীবন সাহিত্যিকের কথা। মানবতার স্তম্ভে বিশ্ব মানুষের, মন ,চেতোনা, ভাবনা, জ্ঞান পরায়নে, অনুভূতির চিন্তা শক্তির পড়া।

বিশ্ব মা প্রকৃতির কোলে, শিক্ষা আলো ফল খেয়ে জাগ্রতো হওয়া। কথা বার্তার বাক্যের গুণাগুণে, শব্দের আঁধারে শিক্ষার তরঙ্গে আলোর গতীতে, দেহো মনের পবিত্রতায়,  শুদ্ধো শরল প্রাপ্তি কে আবদ্ধো করে, জ্ঞান অংকুরের লেখা পড়া। অজোন স্থর ও মহা শৌরো জগতের মানুষ কেন্দ্রে শৌরো জগত পড়ায় ও ভাবায়। বস্তু প্রক্রিয়ায় বাক্যো গঠন করে, সপ্ত ধাঁরা বাস্তব পাঠে বেধে,   অষ্ট শিক্ষা পাঠ সৃজন করা হয়। 

বিশ্বের বিদ্যালয়ে জ্ঞান বিজ্ঞানে আবদ্ধ করে, শু শিক্ষার হাতে কলমে, বস্তু শিক্ষা কে শিখায় ও দেখায়। শিক্ষা মায়ের মহা প্রকৃতির শব্দের খেলা, শব্দের রূপ রুপান্তিতো এপার হতে ঐপারের, মায়ের কাছে ফিরে আশা। বস্তু কে দেখে বস্তুতে মিশে সপ্তধারা বাস্তব পাঠে, বিশ্ব শিক্ষা পরিবারে সন্তান সন্তোনি শিক্ষা। রিপু ইন্দ্রিয়ের মনের ধাঁধায় না পড়ে, মানুষের স্বভাবে একশো পাচটী মৌলিক বস্তুর শিক্ষায়, ইতিহাশের শুরু এবং শেষ পড়া।

জড়ো বস্তু হতে মুক্তির অন্বেষণে, সর্বো স্তরের ভাষা মিশে, আলোক বস্তুর গতিতে নিজেকে বিশ্ব ভেবে বিশ্ব পড়া। চন্দ্র তিথির তারা কোটি নক্ষত্রের, নভো মণ্ডলের গতি হতে, মানব প্রকৃতির অন্তরে, ভূ প্রকৃতির শিক্ষা পড়া। জীব জীবান্তরে ভেষে বাংলা মায়ের বিজ্ঞানের কোলে, জ্ঞান শিশুর পরিমন্ডোলে পবিত্র মহা আত্মার প্রকাশ। এক সংখ্যার ক্রিয়ায় লক্ষ সংখ্যা যোগ করায়। শব্দ লেখাতে যুক্তো ও সরল বর্ন পড়াতে, ক,  শব্দ থেকে কওয়াতে, শরে অ তে, অন্ধকার শব্দ বোঝাতে, ধন্দো কারে দন্দে না থেকে, সরে আ হতে,  আদম তনের শিক্ষা পড়ায়ে, মা হতে কুদরতি নেসার আদর্শে, শিক্ষায় শিক্ষার তরি।

চন্দ্র বিন্দুর ঘর্ষনে, শব্দ মানব হতে,  মানুষের দর্শোনে শিক্ষার রূপের হাটে, অঙ্কুর হতে বীজ, বীজ হতে যোগের খবর জানা, যোগ হতে বিয়োগের জমা ভাগে, এক চাদে হয় জগত আলো, এক বীজে সব সৃষ্টি হলো। শব্দ চয়ন জমা রেখে মহা প্রকৃতির পাঠে, ছায়া পথে ভাগ শিক্ষায়, শুন্যের শুন্যোতায় বসে, পাপ হতে পুণ্যের পুন্যোতায়, বিশ্ব মানব গুরুর গৃহে চরাচর কর্ম শিক্ষা, ফকীরি জ্ঞান শাস্ত্র শিক্ষা, সাধুর চরিত্র স্বভাবে মানুষ হওয়া, বৈষ্ণব এর বস্তু পড়া, বাংলা শিক্ষা আলো খেয়ে শিক্ষা পাগোল হওয়া। 

চন্দ্র কর্ম যোগ আলো সভা, আলোকিতো শিক্ষা শিখে, ভাষা মা বাংলায় ভাষায় তরী.

শরল প্রকৃতির হৃদয়ে শব্দ জমা রেখে, বীজ গুণ যোগ বিয়োগের ঘরে,  ভাগ সংখ্যার হিশাব বিভাগে, হিশাব কষে উত্তোলন শিক্ষা। মানব প্রকৃতির প্রাণে তথ্যের প্রেমে, সুক্ষ জ্ঞানে সহজ হয়ে,  মহা কালের সময়ের ঘটে, আদি নুরী  তনে জাগ্রতো হয়ে,  বস্তুর  প্রক্রিয়ায়  বিশ্বাসী হয়ে, শিক্ষা দেখে  শিক্ষা শিখি।

শেয়ার করুনঃ-