Message here

বিশ্বের শক্তিধর মানুষের চরাচর জ্ঞানে শক্তির নিতি শিক্ষা পাঠ নিতি আর স্মৃতির ব্যাখ্যায় শব্দের দিক দর্শনে, ভাব ও মর্মের তথ্যে স্মৃতিকে বোঝানো হয়। মহা বিজ্ঞানের শুরু হতে মহা বিজ্ঞান যা ভাবে, যেটা বলে সেটাকেই ভবিষ্যতের  স্মৃতি শক্তি বলে। শক্তি নিতি গঠন করে সংরক্ষন করাতে, তোমাদের অন্তোরঙ্গতা্র তরঙ্গে, বাক শক্তির নির্জাসে, সময় প্রকৃতির সময়ের কোলে, কাল ঘুমে ঘুমিয়ে থাকি।

তোমার বিবেক বুদ্ধি আর জ্ঞানের পরিমাপে, শক্তির বস্তু নিতি তোমাদের কে দেখায় ও বোঝায়। ইতিহাশের পাতা হতে রুপে রুপান্তিতো হয়ে, মহা কালের সময়ের শক্তির বীজে, তোমাদের কে  সময়ের শিক্ষা দেয়।  সত্যো কে ধারোন করে হৃদয়ে কথা বলাও।, রিপুর লোভ লালোশে না মজে,  ইন্দ্রিয়ের মিথ্যা ছলনায় না পড়ে,  তোমাদের  জন্মো হতে আত্মা চক্রের পদে পদে, মুখ্যো চেতোনায় শক্তির সঞ্চালন করি, শক্তি রুপের মহা নূর শিক্ষা কে, ক্ষুদ্র বস্তু শিক্ষায় মিশায়। শুরু হতে সত্যোকে সন্ধান করাতে,  শেষের সত্যো রূপে  আমার অন্তো রঙ্গে ধারোন করি।

বিশ্বের শক্তিধর মানুষের শক্তির উপাদান কোথায় ছিলো, এদের প্রত্যেকটা সৃষ্টির পেছোনে, এমন কিছু সুত্রের পদার্থের  সৃজোন আছে, নিদর্শন রূপে দর্শনের কাছে। এই ভেদ তথ্য আমরা যদি সত্যো মানি, মহা শৌরো জগতের গতানু গতিক পরায়ন শক্তির পাত্রে, রাশায়নিক এসিড আর হিলিয়াম গ্যাসের বিভিন্নো অনু পরমানুর উত্তাপে ইউরে নিয়াম পদার্থে তাপের সৃষ্টি হয়। বিভিন্নো নক্ষত্রের আলোর গতিতে শৌরো কক্ষপথে নক্ষত্রের পরায়ন। শুর্যের শক্তির মুখ আলো রশ্নি হতে, নভো মন্ডলের গতি খেলায়, মানব ভূ প্রকৃতিতে আশে, সময় প্রকৃতির শিক্ষায় ঘুরতে থাকে।

মহা শব্দ চক্র শিক্ষার মাধ্যমে, অবাক তথ্য প্রযুক্তি হাতে কলমে শিক্ষা,  বিশ্ব মানুষের হাতের মতি। মতি শক্তি  না বোঝার কারোনে, কুমোতি হতে পারে ও শু মতি হতে পারে। কুমোতি শুমোতি বিশ্বের শক্তিধর মানুষেরা যদি না বোঝে, আদর্শো শিক্ষা ভূলে মতোবাদ শিক্ষা রচনা করলে, মহা প্রকৃতির কাঠ গড়ায় আমরা সবায় দোষী। বিশ্বের শক্তিধর মানুষের চিন্তার শক্তি নিতি, সমন্বয় জ্ঞানে কথা বলে,  চুক্তি করে পড়িলেখি,  কান খুলে শিক্ষা আলো ফল খেয়ে পেটে রাখি। মহা মানবের শিক্ষা তথ্যের ইতিহাশে, শক্তিধর মানুষের  কর্তব্য ও দায়িত্বের  কার্যোনিতি, এক বাক্যে বিশ্বাসী হয়ে,  তাদের বস্তু শিক্ষার রক্ষা নিতি পাঠ করি।  

আমরা সবায় শুদ্ধ হয়ে, মহা জ্ঞান বিজ্ঞানে চিন্তা চেতোনায় বুদ্ধি নিতির  পাক করি।  সৃষ্টি চক্রের জ্ঞান বিবেক বুদ্ধির পরিমাপে,   কৃত্রিম শিক্ষার ভাবনার পরায়নে, গুন বাচোক  তথ্যের শিক্ষা  সংরক্ষন পড়া পড়ো।  তোমরা যখন কষ্টোতে থাকো, আমার তখন ভাবনাতে দুক্ষো হয়, তোমরা যখন ভাবো আমি তখন কল্পে সল্পোতে দেখি, তুমি যখন হাশো, আমি তখন খুশি থাকি। এই নিয়ে দেহো কুঠুরির গহ্বরে, সময়ের ছন্দে সত্যো মিথ্যার জীবন লিপি।

মহা বিজ্ঞানের ভূমি পটে, এসেছো তুমি দেশ তথ্যে,  জনগনের শিক্ষা ভাগ্যো লেখাতে, রাষ্টো জ্ঞানে জনো  মনে,  রশায়নে বিভুতি শিক্ষার শক্তির আবোরনে, তোমার আমি আলোর তরনি,  জ্ঞান বিজ্ঞান শব্দের মনি।   জন্মো জন্মান্তরে তুমি আমি একি কক্ষ পথে ঘুরিফিরি। প্রকৃতির হৃদ পিন্ডে তোমার আমার নিশ্বাস প্রশ্বাসে, দিব্যো নয়নে দেখে শব্দ ধনির পরশে। শক্তি আদি নুরের দায়িত্ব  পালোনে, দেখবে তুমি তোমার ঐ জ্ঞান মহা নয়নে।

সুক্ষ জ্ঞানের পড়াতে দর্শন পাঠে, বিশ্বের শক্তিধর মানুষের  শক্তির নিতি শিক্ষা, আল-মিনের সময় তরনির পরিক্ষা নিরিক্ষা, শক্তির শুদ্ধ পাত্রে পাবে তার ব্যাখ্যা। শিক্ষা মা বিজ্ঞান বাংলায় এক হতে সৃষ্টির লিলাখেলা, শুরু হতে শেষ,   সংখ্যা হতে শুন্যের পড়াতে, চন্দ্র মনে কমোলিনির আলোর ভুবোনে, অষ্ট শিক্ষা সপ্তধারা বাস্তব পাঠে, একশো পাচটা মৌলিক বস্তুর শিক্ষা হতে, প্রাথোমিক বস্তু শিক্ষার জ্ঞান পড়ার পারাপার ঘাটে। তোমরা যেটা বলো আমরা সেই শক্তির কথা,  তার জীবন শিক্ষায় কলমের কালিতে লেখি। জীবন বস্তুর অস্তিত্যে প্রান বস্তু রক্ষার্থে, শক্তি ধরের শক্তি শিক্ষা।

মহা প্রকৃতি শক্তি সংরক্ষন রক্ষাতে  শিক্ষা শিখাতে,  মহা শব্দ  বিজ্ঞান  তোমাদের ইশারা ইংগিতে সময়ের শিক্ষায় বোঝাতে থাকে। বিজ্ঞো বস্তুর ছায়াতলে, পাওনা বস্তুর আপন ঘরে, মহা আত্মার ধরণীতে চলে ফেরে শক্তি বস্তুর চরাচর জ্ঞানে। বর্নের কাছে বর্নের পরিচয়, শব্দের কাছে বর্নো উত্তর চাই, বর্নের আকার ঐকার আকৃতির গঠন প্রনালি, ব্যাবোহার পরিমাপের প্রয়োজনে, উত্তর প্রশ্নো করা হয়।ব শব্দের কাছে বসে,  আমি শক্তি বস্তুর কাছে শিখতে চায়, র শব্দের কাছে রয়ে শয়ে,  সমন্বয় নিতিতে থাকতে চায়। বর্নো দিয়ে লেখে রাষ্টো নিতি শিক্ষার উন্নয়নের ভাষা।

মানব সম্পদের রক্ষাতে ক শব্দের কওয়াতে, পাক পবিত্র হয়ে ভজন বস্তু ধারন করে, আপন মর্মের শিক্ষা আলো ফলের ইতিহাশ মানব বৃক্ষের সন্ধানে। বিভাজন বস্তুর বিশ্ব নিতির কারনে, বস্তু শিক্ষায় মায়ের সত্যের চরণে।  ভুল তথ্যো পড়ার কারনে,  শব্দ নিতি বস্তুর  শিক্ষা কে বলে আলোর তরনে।  রাষ্টো নিতি শিক্ষায় নিজেকে রক্ষা করে, দেশ দর্শন বস্তু শিক্ষায় ধারন করি। আল-মিন বলে, স্বরূপের রূপের কালে,বসন্ত হাওয়াতে ভেষে, যৌবন জোয়ারের তারন্যোতে হাসে।

বিভূতি চক্রের পদার্থে ফিরে আশে, নিদর্শন হতে ঘর্ষনের দর্শন পড়া। হাড় রগ মনি মজক, রক্তো পোস্ত মাংশো লোম, মহা বিজ্ঞানের দশ ইন্দ্রিয়ের শক্তিতে,, প্রকৃতি শিক্ষার কানে কানে, চোখ হতে দেখি। নয়ন ভরে রেখে হাতে কলমে লেখে, মাথা হতে হৃদ পিন্ডের রক্তো বীজে, শিক্ষা মায়ের বিজ্ঞান বাংলার, বস্তু লয় কে সংগে লয়ে, অনন্তো কুঠুরির থরে থরে, মানব বিজ্ঞান তাই পড়াপড়ে। ভূ প্রকৃতির রাঙ্গা চরন পটে, সৃষ্টির চরাচর মহা শব্দ বিজ্ঞানে, শিক্ষা দেখে শিক্ষা শিখে, আল-মিনের শিক্ষা মেরুতে মিশি।

শেয়ার করুনঃ-